বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, এই মতবিনিময় সভার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে সরকারের মনোভাব। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাসহ মাঠপর্যায়ের নেতারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি তোলেন। একজন নেতা জিয়াউর রহমানের সময়কার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় মানুষ দরজা খুলে ঘুমাত। সে ধরনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ আস্থার সঙ্গে বসবাস করতে পারে এবং সেটা এই পুলিশকে দিয়েই সম্ভব।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। এর জন্য যা যা করার করা হবে। এ ক্ষেত্রে কারও পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। যার যার ভুলত্রুটি আছে, তাদের শুধরে নিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলায় শিথিলতার ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকে তাঁর কাছে অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা সহজ করে দেওয়া হয়েছে কি না। তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে কিছুটা শিথিলতা থাকলেও এখন থেকে কঠোরভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা হবে। সামনে আর সহজ করে দেখা হবে না, কঠিনভাবেই দেখা হবে। তাই নিজেদের মধ্যে বিভেদ কমিয়ে আনতে হবে।
জানা গেছে, মাঠপর্যায়ের নেতারা মন্ত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন। যেমন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনকে বলেছেন, এইচএসসি পরীক্ষা কেন এগিয়ে আনা হলো। এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে কেউ কেউ মত প্রকাশ করেন।