শফিকুলের মা আজেয়া খাতুন বারবার ছেলের নাম ধরে ডাকছিলেন। কখনো বিলাপ করছেন, কখনো নির্বাক বসে থাকছেন। বৃদ্ধ বাবা আফসার আলীও বাক্রুদ্ধ। আফসার আলী বলেন, ‘ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে গরু বিক্রি করেছি। এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছি। আত্মীয়দের কাছ থেকেও ধার করেছি। ভেবেছিলাম, ছেলে উপার্জন করে সংসারের কষ্ট দূর করবে। এখন সে লাশ হয়ে ফিরবে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শফিকুল অত্যন্ত পরিশ্রমী ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। সংসারের অভাব ঘোচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বিদেশে গিয়েছিলেন। কয়েক মাসের ব্যবধানে তাঁর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না।