ওই গৃহবধূ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এক থেকে দুই মাস ধরে সেলুন খোলার জন্য আমার কাছে যৌতুক হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা চাওয়া শুরু করে আমার স্বামী। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় মারধর করে আমার মুঠোফোন নিয়ে চলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় বলে যায়, “পাঁচ লাখ টাকা দিবি, নইলে তরে ছাইড়া দিমু।” পরে বিকেলে মুঠোফোন দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে সামান্য দূরে নিয়ে মারধর করে চুলে কেটে দেয়। আমার স্বামী নরসিংদীতে অন্য নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছে।’
মিম জানান, এর আগে তিনবার কিস্তিতে স্বামীকে টাকা তুলে দিয়েছেন। প্রথমবার ৬০ হাজার, পরে ১ লাখ এবং সর্বশেষ ৩১ হাজার তুলে দিয়েছেন। এ ছাড়া কয়েক মাস আগে দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার বন্ধক দিয়ে তিন লাখ টাকাসহ মোট চার লাখ টাকা এনে দিয়েছেন। সেই টাকায় বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল বাজারে কাপড়ের দোকান খুলেছিলেন স্বামী। এক বছর চালিয়ে দোকান বিক্রি করে দেন। ওই গৃহবধূ আরও বলেন, ‘স্বামী বাড়ি এলেই ঝগড়া করে। প্রায় মারধর করত। মারধর করে চলে যেত। দোকানের হিসাব চাইলেই মারধর করত।’